সর্বশেষ সংবাদ >>

জিবির কোভীড ট্রিটমেন্ট সেন্টারে রি ব্রীদিং অক্সিজেন রিজার্ভার মাস্ক প্রদান করা হয়েছেঃসাংসদ প্রতিমা ভৌমিক।

T24X7 প্রতিনিধি15/09/2020TRIPURA

গত ২ সেপ্টেম্বর জিবির সফরে যান মুখ্যমন্ত্রী। ১২ টি বিষয় এই বৈঠকে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল জলের সমস্যা। ইতিমধ্যেই আগরতলা পুর নিগম থেকে দুটি জলের ট্যাঙ্ক স্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। ক্যান্সার হাসপাতালের জলের লাইন জিবিতে দেওয়া হয়েছে। এতে করে জলের সমস্যা আরো কমে গেছে। নেই বললেই চলে। তাঁর পরেও জলের ট্যাঙ্কার রাখা হয়েছে। অক্সিজেনের পি এস আই – সব সময় নেওয়া হচ্ছে। ফ্লোর ম্যানেজমেন্টের জন্য ১৮ জনকে রাখা হয়েছে। ৪ জনকে রাখা হয়েছে ফ্লোর ম্যানেজার। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষ্যের সংযোগ রক্ষা করছেন তারা। এতদিন মৃতদেহ সরিয়ে নেওয়ার জন্য দুজন ছিল। ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই কাজে আরো ৬ জনকে রাখা হয়েছে। কোভীড ট্রিটমেন্ট সেন্টার থেকে যারা হোম আইসোলেশনে যেতে চাইছেন তাদের যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই মোতাবেক ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। কোন অসুবিধা হলে দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে ২৯ টা। তবে আরো ক্যামেরা বসানো হবে। ৪৯ জন নার্সকে নিয়োগ করা হয়েছে। জিবির জন্য আরো ৫০ জন নার্সের প্রয়োজন হবে। তাঁর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা করা হচ্ছে সরকারী ভাবে। বুধবার থেকে এজিএমসি-র কাউন্সিল ভবনে বিকেল ৪ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত রোগীর আত্মীয়রা এসে  তাদের রোগীর বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে পারবে। অনুরূপ ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কোভীড ট্রিটমেন্ট সেন্টারের ভেতরে থাকা চিকিৎসকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলবেন। এছারা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে রি ব্রীদিং অক্সিজেন রিজার্ভার মাস্ক প্রদান করা হয়েছে। তিনটি ক্যাটাগরির মাস্ক আনা হয়েছে। এতে করে অক্সিজেন নষ্ট হবে না। গত তিন দিন এই বিষয়ে রোগীদের বোঝানো হয়েছে। মঙ্গলবার এজিএম সি-র কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান জিবির রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। অক্সিজেন কণসেট্রেটার আগে ছিল ৬০ টি। আরো ১০০ দেওয়ার দাবি ছিল। এখন ৩০০ এসেছে।  রি ব্রীদিং অক্সিজেন রিজার্ভার মাস্ক আগামী দিনে প্রত্যেকটি কোভীড কেয়ার সেন্টার ও হাসপাতাল গুলিতে প্রদান করা হবে। জিবিতে বর্তমান পরিস্থিতিতে ৭৫ জন ইন্টার্ন রয়েছে। তারা এই সময় কাজ করবে। ১৩০ জন পিজিটি রয়েছে । তারা সকলে কাজ করছে। তবে বিশেষজ্ঞ দল কিছু সাজেশন দিয়েছেন। গীতাঞ্জলী ও জিঞ্জার হোটেলে স্বাস্থ্য কর্মী ও  চিকিৎসকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় দল ৭৫ জন ইন্টার্নকে কাজে লাগাতে বলেছে। বাইরে থেকে ৪ জন এম ডি ডাক্তারকে জিবিতে দেওয়া হয়েছে। আরো ৪ জন এম ডি ডাক্তারকে নেওয়া হবে এই সময়ে। ডায়ালেসিসে কর্মী কম ছিল। সোমবার ২ জনকে ডায়ালেসিসে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে তারা কাজ শুরু করেছেন। বাই প্যাড মেশিন ২০ টি জিবিতে রয়েছে। আরো ২০ টি দেওয়ার জন্য বলেছেন। তা দ্রুত দেখা হচ্ছে। ১০ টি ভেন্টিলেটার ইনস্টল করা হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিং হোমের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেই মোতাবেক আই এল এস ভেন্টিলেশন চেয়েছিল। তাদের চারটি ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে বলে জানান জিবির রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। যারা এখন থেকে গায়নো সমস্যা নিয়ে আসবেন তাদের জন্য পৃথক কক্ষ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মহিলাদের সোনগ্রাফির জন্য মেশিন দেওয়া হয়েছে। এক্সরে মেশিন দেওয়ার বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আই সি ইউ বেড আরো ৬০ টি বৃদ্ধি করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুদিনের মধ্যে তা করা হবে। রাজ্যবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান জিবির রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। জিবিকে নিয়ে যে ভাবে ভরসা ছিল তা এখনো আছে। তাঁর প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান। তবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিবির ১৫ শতাংশ কর্মী থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা ও পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরেও এদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। দুটি দল মানুষকে সহায়তা করার জন্য কাজ করছে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে জানান জিবির রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক।সমস্ত পরিষেবা এম্বুলেন্স গুলিতে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এই মাস্ক দেওয়া হবে বলে জানান। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা রিপোর্ট দেবে। সেই অনুযায়ী সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানান জিবির রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। জিবি হাসপাতালে জার যে দায়িত্ব রয়েছে তারা সেই কাজ করছে। দায়িত্ব ছাড়া কেউ এখানে নেই বলে জানান তিনি। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন পশ্চিম জেলার শাসক, এম এস, ডেপুটি এম সহ অন্যান্যরা।