সর্বশেষ সংবাদ >>

দ্বিতীয় দফায় সার্ভেতে কোডিভ আক্রান্তদের সংস্পর্শে আশা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে পরীক্ষা করবে কর্মীরাঃ মন্ত্রী রতন লাল নাথ।

T24x7প্রতিনিধি01/08/2020ত্রিপুরা

রাজ্যে বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২১৯ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৪ হাজার ১৯১ জন। মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৬৪৮ জনের। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৫৯২ জনের। রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে ৪ হাজার ৯৯৮ জনের। রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৯৪ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৩ হাজার ৪৬৪ জন। তার মধ্যে রয়েছেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া সহ ওনার স্ত্রী ও দেহরক্ষী। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৪৯৩ জন। এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। সুস্থতার হার ৬৯.৫৬ শতাংশ। মৃত্যুর হার ০.৪৬ শতাংশ। শনিবার সুস্থ হওয়ার পর ছাড়া হয়েছে ১৩৭ জনকে। সবচেয়ে বড় বিষয় ত্রিপুরা রাজ্যে রেশন কার্ড হোল্ডার ৯ লক্ষ ২১ হাজার ৮৯৫ । শনিবার দুপুর ১ টা পর্যন্ত ৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬০৯ টি রেশন কার্ডের সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি রয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ টি। সার্ভে কর্মীরা ২৩ হাজার ৮৬৯ জনকে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯ হাজার ৭২৬ জনের। তারমধ্যে পজেটিভ এসেছে ৬৫৫ জনের রিপোর্ট। এর মধ্যে ৪ হাজার ১৪৩ জন এন্টিজেন টেস্ট করতে সম্মত হয়নি। এদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুনরায় বোঝাবে স্বাস্থ্য কর্মীরা। একই সঙ্গে ৬৫৫ জন পজেটিভ রোগীর সংস্পর্শে যারা এসেছে তাদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত ও নমুনা পরীক্ষা করা হবে। ভারতবর্ষের কোন রাজ্যে এই ধরনের বাড়ি বাড়ি সার্ভের কাজ হয়নি। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রতিদিন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বুলেটিন দেবে। তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর তা সংবাদ মাধ্যমের কাছে পৌঁছে দেবে। সোমবার থেকে সমস্ত মিডিয়া হাউস গুলিকে সেনিটাইজ করা হবে পর্যায়ক্রমে। দুইজন সংবাদ মাধ্যমের কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগরতলা প্রেসক্লাবে বিনামূল্যে সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের এন্টিজেন টেস্ট করানোর। এই পরীক্ষায় সকল সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ। শনিবার মহাকরণে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত তথ্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী রতন লাল নাথ এমনটা জানান।