সর্বশেষ সংবাদ >>

রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ দিনের বনধ ভয়াবহ রূপ ধারণ করে উত্তর জেলায়।

T24X7 প্রতিনিধি21/11/2020TRIPURA

রাজ্যে রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ দিনের বনধ ভয়াবহ রূপ ধারণ করে উত্তর জেলায়। পানিসাগরে কাঞ্চনপুর নাগরিক সুরক্ষা এবং মিজো কনভেনশনের যৌথ আন্দোলন কমিটি বিক্ষোভে সামিল হয়। কাঞ্চনপুর মহকুমায় ব্রু- রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসন ইস্যুতে ১০ টি সংগঠনের যৌথ ভাবে পানিসাগর ছনতৈলে জাতীয় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ত্রিপুরার অগ্নিপাশা এলাকা।  পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আন্দোলনকারীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে । আরক্ষা বাহিনীর গাড়িতে ছোরা হয় ঢিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় পুলিশ বলে স্থানীয়দের দাবি। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। আহত হয় ২৩ জন। মৃত  ব্যক্তির নাম শ্রীকান্ত দাস, বয়স ৪৫। বাড়ি দশদায়। সাধারণ মানুষ নেমে পড়ে রাস্তায়। পানিসাগর থানা সংলগ্ন এলাকায় আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিক্ষোভকারীরা। এদিকে বিক্ষোভ কারীদের ছোড়া ঢিলে আহত হয় বেশ কয়েকজন পুলিশ ও টি এস আর । পুলিশের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বি ডি ও– পানিসাগরের গাড়ি ভাংচুর চালানো হয়। গোটা মহকুমায় নিরাপত্তাকর্মী ছয়লাপ। বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে ধর্মনগর ও পানিসাগর মহাকুমায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে যায় নর্দান ডিআইজি এল ডার্লং, উত্তর  জেলার পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী, এসডিপিও অভিজিৎ দাস ও পানিসাগর থানার ওসি। অবষেশে প্রাপ্ত খবরে জানাগেছে সন্ধ্যার পর, সরকারের আশ্বাসে জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করেছে জয়েন্ট মোভমেন্ট ফোরাম। তবে কাঞ্চনপুরে বনধ  চলবে। এদিন সন্ধ্যায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী শান্তনা চাকমা। তার কাছ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পরেই সড়ক অবরোধ তুলে নেয় আন্দোলনকারীরা।